সর্বশেষ

বাবার হাতে ধর্ষিতা হয়ে প্রথম সন্তানের জন্মও দিলো !

ই-বার্তা।। পৃথিবীতে মেয়েদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় হলো তার বাবা। কিন্তু, সেই বাবা-ই যদি রক্ষকের মুখোশ ছেড়ে ভক্ষক হন তাহলে সেই কন্যা সন্তানের নিরাপদ আশ্রয় কার কাছে হতে পারে তা জানা নেই। এটা কোনো চিত্রনাট্য কিংবা সিনেমার কাহিনী নয়।

 

তাহলে ঘটনাটি খুলে বলা যাক, নাম বারবারা কুম্বস। নিজের বাবার বাড়ির বাগানে কাজ করতে করতে হঠাৎ করেই লাগোয়া ঘরে ঢুকেছিলেন ৫১ বছর বয়সী কুম্বস। ঘরে ঢুকেই চোখে পড়ে একটি বাক্স। আর তা খুলেই চমকে যান তিনি। বাক্সটিতে ছিল ছোট বাচ্চাদের পর্নোগ্রাফিক ছবি। খবর আনন্দবাজার। এখানেই শেষ নয়, এমনকি সেখানে তার নিজের ছোট বেলারও আপত্তিকর কিছু ছবি ছিল! নিজের ছবি দেখেই তার ছোট বেলাটা সামনে ভেসে ওঠে। দিনের পর দিন কিভাবে নিজের বাবার হাতে নিগ্রহের শিকার হতেন তিনি।

 

তার বাবা কিভাবে তাকে ‘যৌনদাসী’ করে রেখে ধর্ষণ করে গিয়েছেন। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বাবার হাতে ধর্ষিতা হয়ে প্রথম সন্তানের জন্মও দিয়েছিলেন তিনি। অবশ্য সেই সন্তান জন্মের কিছু পরেই মারা যায়। এভাবেই সময় গড়াতে থাকে। কিন্তু, বাবার নিগ্রহের হাত থেকে রেহাই মেলেনি। শেষমেশ এটা চিন্তা করতে করতেই হঠাৎ প্রচণ্ড রাগ ও ঘৃণায় বাগানে পড়ে থাকা বেলচা তুলে নিয়ে বাবার মাথায় আঘাত করেন। এতে মৃত্যু হয় ৮৭ বছর বয়সী নরপিশাচ বাবা কেনেথ কুম্বসের।

 

এটি ম্যানচেস্টারের কাছে এক শহরতলির ঘটনা! বারবারা কুম্বস এর প্রায় ১২ বছর পরে একাধারে আদালতে দাঁড়িয়ে এ ঘটনার কথা বলে চলেন। এর প্রায় ১২ বছর পরে আদালতে দাঁড়িয়ে এক নিঃশ্বাসে ঘটনার কথা বলে চলেন বারবারা। বাবা কেনেথ কুম্বসকে মেরে তার দেহ বাগানের মধ্যেই লুকিয়ে রেখেছিলেন তিনি। সবাইকে বলেছিলেন, বাবা কেনেথ হৃদ্‌রোগেই মারা গিয়েছেন। হাসপাতালেই তার অন্ত্যেষ্টি হয়েছে।সম্প্রতি কেনেথকে তার বাড়িতে দেখতে যাওয়ার কথা জানান, হাউসিং অ্যাসোসিয়েশনের অফিসার।তার আগের দিনই থানায় গিয়ে বারবারা খুনের কথা স্বীকার করেন। বারবারার মানসিক পরীক্ষার রিপোর্ট বলছে, দীর্ঘ মানসিক যন্ত্রণা ও মারাত্মক মানসিক চাপ থেকেই এই কাজ করেছেন তিনি।