সর্বশেষ

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে বঞ্চিত ঢাকা কলেজ

ই- বার্তা ।।   ছাত্রলীগের সম্মেলনের আড়াই মাস পর নেতা-কর্মীরা পায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ।  এক বছর পর প্রকাশ পেলো ৩০১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি। কিন্তু তা নিয়েও শুরু হয়েছে বিক্ষোভ।

গত সোমবার পদবঞ্চিতদের ওপর পদপ্রাপ্তরা হামলা করেছেন। তারপর থেকে থমথমে অবস্থান বিরাজ করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

এ দিকে মাত্র কয়েকদিন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ক্যান্টনমেট হিসেবে আখ্যায়িত দিলেও অনুসন্ধানে জানা যায় সব থেকে বেশি বঞ্চিত হয়েছে ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ।

জানা যায় ২২ জন পদপ্রত্যাশীর কেউ কেই দেওয়া হয়নি কেন্দ্রীয় কমিটিতে কোনো স্থান।

পদ প্রত্যাশীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন সোহাগ -নাজমুল কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য ও বর্তমান কলেজে কমিটির ১নং যুগ্ম আহ্বায়ক তানীম তালুকদার র্দীঘ সময় তিনি রাজনীতি করেছেন তাকে রাখা হয়নি।

২০১৩ সালের সোহাগ -নাজমুলের কমিটির ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন আশরাফুল আলম। অনুসন্ধানে জানা যায় গত কমিটিতে তার নাম সহ সভাপতি হিসেবে রেখেছিলেন সোহাগ -জাকির, কিন্তু এক বড় নেতার কারণে নাম কাটতে হয়। এবারো উপেক্ষিত হলেন তিনি।

গত কেন্দ্রীয় কমিটির মুক্তিযুদ্ধা ও গবেষণা বিষয়ক উপ সম্পাদক ছিলেন এনামুল হক, বঞ্চিতদের তালিকাও তিনিও রয়েছেন।

শরিয়তপুরের অলড্রিন গত কেন্দ্রীয় কমিটির উপ সম্পাদক ছিলেন তাকেও রাখা হয়নি। সোহাগ -জাকির কমিটির সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী মাসুম তাকেও বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বর্তমান কলেজে কমিটির ২ নং যুগ্ন আহ্বায়ক ফরহাদ মির্জা। তাকেও রাখা হয়নি কোনো পদে।

র্দীঘ ৪ বছর যাবত ক্যাম্পাসকে আগলে রেখেছেন ময়মনসিংহ অঞ্চলের ৬ যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল মাহমুদ, জামাল উদ্দিন মাহী, শেখ রাসেল, লেলিন,হুমায়ন রানা তাদেরকেও রাখা হয়নি।

তারা তাদের অনভুতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করছেন যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

জামাল উদ্দিন মাহী লিখেছেন,
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায়
অথচ ৩/এ পার্টি অফিসে সাম্প্রদায়িক শক্তি দ্বারা হামলা হয়,
আর সেই হামলা প্রতিরোধ করলো কারা?
আর ছাত্রলীগের পদ পাইলো কারা?
সেটা তো জাতি জানে.
আমরা কিন্তু আপনাদের জান রক্ষা ও মান রক্ষাও করেছি,
সবই ভুলে গেছেন?
কোটা সংস্কার, আর ৫ই জানুয়ারি নির্বাচন, হেফাজত আন্দোলনের কথা না বাদই দিলাম।
এত কিছুর পরেও আমাদের সাথে বেঈমানী করাটা কি ঠিক করেছেন???

রাসেল মাহমুদ লিখেছেন, রাজপথও বেঈমানী করে।

মুজিবুর রহমান চৌধুরী মাসুম লেখেন, বাবা মা কে ভালোবাসি আজ না হয়তো অন্য কিছু……..

ই- বার্তা / রেজওয়ানুল ইসলাম