সর্বশেষ

ফের আলোচনায় ট্রাম্প

ই-বার্তা ডেস্ক ।।  ওয়াশিংটন পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, গত বছর নিউইয়র্কে ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল হোটেলের সবচেয়ে বড় খদ্দের ছিলেন সৌদি সরকারি কর্মকর্তারা।

 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সৌদি আরবের যৌথ ব্যবসাসহ অর্থনৈতিক সম্পর্ক তদন্ত করবে দেশটির কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের একটি প্যানেল। প্রতিনিধি পরিষদের ইন্টেলিজেন্স কমিটির সদস্য এরিক সলওয়েল জানান, শক্তভাবে বিষয়টি তদন্ত করা হবে, যার মধ্যে থাকবে ওয়াশিংটনে নিউ ট্রাম্প হোটেলের শত শত কক্ষ ভাড়া করার ঘটনা। ডোনাল্ড ট্রাম্প গত নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদে বিজয়ী হওয়ার পর সৌদি লবিস্টরা এসব হোটেল কক্ষ ভাড়া নেন। খবর বিবিসি, রয়টার্সের।

ট্যাক্স রিটার্ন ও ব্যাংক রেকর্ডের মাধ্যমে ট্রাম্পের সঙ্গে সৌদি সরকারের সম্পর্কের বিষয়েও জানানো হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিনিধি পরিষদের ইন্টেলিজেন্স কমিটির এই সদস্য। সৌদি আরবের একটি জনসংযোগ কোম্পানিতে কাজ করেন এমন একজন কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নালকে বলেন, ‘সৌদি লবিস্টরা এমন একটি বিল পাসে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন, যাতে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার বিষয়ে বিদেশি সরকারগেুলোকে দায়ী করে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের মামলা করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছিল।’

নির্বাচনী ক্যাম্পেইন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তাদের হোটেল কক্ষে থাকার সুযোগ করে দিয়েছিলেন এবং পরে তাদের ক্যাপিটাল হিলে এই বিলের বিরুদ্ধে লবিং করার জন্য পাঠানো হয়। সৌদি আরবের ওই জনসংযোগ প্রতিষ্ঠানটি হোটেল কক্ষের ভাড়া ও খাওয়া-দাওয়া বাবদ দুই লাখ ৭০ হাজার ডলার বিল পরিশোধ করে।

 

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম বিদেশ সফরে সৌদি আরব যান। ওই সফরে তাকে ব্যাপক সংবর্ধনা দেওয়া হয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সৌদি আরব ১১ হাজার কোটি ডলারের অস্ত্র কেনার চুক্তি করে। এসব বিষয়েও তদন্তের কথা জানিয়েছেন কংগ্রেসম্যান এরিক সলওয়েল।

 

প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন কারণে আলোচিত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপ, ভুয়া খবরের প্রভাব রয়েছে বলে একাধিক তদন্তে উঠে এসেছে। এ ছাড়া ক্ষমতা গ্রহণের পর গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত একাই গ্রহণ করেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। এর জেরে হোয়াইট হাউস ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ বহু কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন বা বহিস্কৃত হয়েছেন। সম্প্রতি মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দের আবেদন জানিয়েছেন তিনি। বাজেটে সেই অর্থ যুক্ত না করায় বিলে সই করছেন না প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। যার ফলে ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরকার আংশিক অচলাবস্থায় পড়েছে।

 

সম্প্রতি মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দের আবেদন জানিয়েছেন তিনি। বাজেটে সেই অর্থ যুক্ত না করায় বিলে সই করছেন না প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। যার ফলে ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরকার আংশিক অচলাবস্থায় পড়েছে।

 

 

ই-বার্তা /  তামান্না আলী প্রিয়া