সর্বশেষ

একজন সাধারণ মারজুক রাসেল

“তো একদিন দুধভাতের মধ্যে হাত দিয়া মা আমারে বলল, তুই সিগারেটটা ছাইড়া দে! তো আমি তখন বলেছিলাম, দেখো মা ক্ষতিকর যদি মনে হয় খালি সিগারেট না তুমিও যদি আমার কাছে ক্ষতিকর মনে হও তোমারে ছাইড়া চইলা যামু।” – মারজুক রাসেল
 
একজন মারজুক রাসেল। কেউ বলে মারজুক – দ্যা গ্রেট আবার কেউ বলে গুরু। আমার দুটোই পচ্ছন্দ। শুণ্য হাতে ঢাকায় আসা সাধারণ মারজুক অসাধারণ হয়ে উঠার পরও আছেন সাধারণ। শহরের সুশীলতা তাকে আকর্ষণ করে না। মারজুক এমনি একজন মানুষ যে টিশার্ট, থ্রি-কোয়াটার পরে টিভি শো’তে যান, সাধারণ ভাষায় কথা বলেন। জীবনে একজন’কে ভালোবেসেছিলেন ; তাকে পান’নি, বিয়েও করেননি৷ ‘ব্যাচেলর’ দিয়ে উত্থান হওয়া মারজুক রাসেল কাজ করেছেন অসংখ্য নাটক এবং টেলিফিল্মে। তবুও নিজেকে গীতিকবি হিসেবে পরিচয় দিতে পচ্ছন্দ করেন। জেমসের ‘মীরাবাই’, আইয়ুব বাচ্চুর ‘আমিতো প্রেমে পড়েনি’ ছাড়াও এ দু’জন এবং আসিব আকবর সহ অন্যান্য আরও শিল্পীদের গলায় শোভা পেয়েছে তার অসংখ্য গান। “বাহির বলে দূরে থাকুক, ভেতর বলে আসুক না” শিরোনামে ‘দ্বীধা’ গানটিও তার লেখা।
 
মারজুক চেনা রাস্তায় হাঁটেন না। যেদিকে দু’চোখ যায় মারজুক সেদিকে যান। আজিজে (আজিজ মার্কেট) আড্ডা দেন, গান করেন, দলবল নিয়ে ঘুরে বেড়ান। আমাদের মত হাজারো ভবঘুরে সাধারণ ছেলের আইডল মারজুক। একজন মারজুক রাসেল। ১৯৯৪ সালে বাংলামোটরে এসে শুণ্য হাতে বসে থাকা একটা ছেলে আজ আমাদের মারজুক রাসেল। বেঁচে থাকুক মারজুক রাসেল, বেঁচে থাকুক মারজুক – দ্যা গ্রেট এবং আমাদের পচ্ছন্দের ‘অল্টারনেটিভ’।
ই-বার্তা/মাহারুশ হাসান