সর্বশেষ

হঠাৎ সমুদ্রের জলরাশি ঢেউ

ই-বার্তা ডেস্ক ।।  মাইলের পর মাইল চিকচিকে বালুর মাঝে পা ফেলানো আর হঠাৎ সমুদ্রের জলরাশি ঢেউ এসে ছুঁয়ে যাওয়া।

লাল কাঁকড়ার দল বালুচরে দলবেঁধে লুকোচুরি খেলা, নানাজাতের পাখির কলকাকলি, খুব বিহানে (সকালে) সমুদ্রের বুক চিরে জেগে ওঠা লাল সূর্যটা বেলাশেষে আবার পশ্চিমের নদীতে ডুবে যাওয়ার মতো দৃশ্য সোন্দর্য্যপ্রেমিদের মন ভুলিয়ে দিবে।

সাগরকন্যা খ্যাত পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলার বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের কূলে সৃষ্ট এই অবয়ব দৃশ্য সকল সোন্দর্য্যপ্রেমিদের কাছে টানতে শুরু করেছে।

স্থানটি এখনো পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে পুরোপুরি আত্মপ্রকাশ না করায় দর্শনার্থীদের জন্য কোনো থাকা, খাওয়ার সু-ব্যবস্থা নেই। তবে ভবিষ্যতে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

বেড়াতে আসা এক দর্শনার্থী বলেন, আজ ছুটির দিনে পরিবারের সবাই বেড়াতে এসেছি। খুব ভালো লাগলো। তবে এখানে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা থাকলে আরও ভালো হতো।

রাঙ্গাবালী উপজেলা চেয়ারম্যান দেলোর হোসেন বলেন, এই অঞ্চলকে নিয়ে পর্যটনের অনেক কিছু করার আছে। বিশেষ করে জাহাজমারা ও তুফানিয়া অপার সম্ভাবনার জায়গা। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দক্ষিণ অঞ্চলকে ঘিরে তার অনেক পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। এখানে একটা ট্রজিব জোন করার পরিকল্পনার কথাও জানান। পায়রা সমুদ্রবন্দরের খুব কাছেই রয়েছে জাহাজমারা। তাই দক্ষিণাঞ্চলের আরেকটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে তা আত্মপ্রকাশ করবে বলে দৃঢ় বিশ্বাসের কথা জানান তিনি।

ই-বার্তা /  তামান্না আলী প্রিয়া