সম্রাট-আরমানের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ১৫ ডিসেম্বর

ই-বার্তা ডেস্ক।। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ঈসমাইল চৌধুরী সম‌্রাট ও তার সহযোগী বহিষ্কৃত যুবলীগনেতা এনামুল হক আরমানের বিরুদ্ধে করা মাদক মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১৫ ডিসেম্বর ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার এ মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এজন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ উর রহমান প্রতিবেদন দাখিলের এ তারিখ ঠিক করেন। ক্যাসিনো-বিরোধী অভিযান শুরুর পর থেকেই তাকে নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়। অভিযান শুরুর পর হাই-প্রোফাইল কয়েকজন গ্রেফতার হলেও খোঁজ মিলছিল না সম্রাটের। এসবের মধ্যে তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হয়।

এরপর ৫ অক্টোবর রাত থেকেই তার গ্রেফতার হওয়ার খবর এলেও পরদিন সকালে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। ৬ অক্টোবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রামে আত্মগোপনে থাকা সম্রাটকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। তার সঙ্গে আরমানকেও গ্রেফতার করা হয়। পরে ঢাকায় এনে তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদও করে র‌্যাব। একই দিন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি দল কাকরাইলে ভূঁইয়া ট্রেড সেন্টারে তালা ভেঙে সম্রাটের কার্যালয়ে ঢুকে অভিযান শুরু করে।

নিজ কার্যালয়ে পশুর চামড়া রাখার দায়ে তার ৬ মাসের জেল দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। অন্যদিকে আরমানকে গ্রেফতারকালে আরমানকে মদ্যপ অবস্থায় পাওয়া যায় এবং তার পকেটে ১৪০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। পরে মাদক সেবনের দায়ে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত আরমানকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন। এছাড়াও র‌্যাব-১ এর ডিএডি আব্দুল খালেক বাদী হয়ে সম্রাটের নামে অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা করেন। মাদক মামলায় এনামুল হক আরমানকেও আসামি করা হয়।