২০২১ সালের মধ্যেই প্রতিটি বিদ্যালয়ে কার্যকর হবে মিড-ডে মিল


ই-বার্তা প্রকাশিত: ৫ই জুলাই ২০১৭, বুধবার  | বিকাল ০৩:১৪ বিশেষ প্রতিবেদন

ই-বার্তা প্রতিবেদক।। দেশের প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থী মিড-ডে মিল বা দুপুরের খাবার নিয়মিত পাবে এমনটি নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ২০২১ সালের মধ্যেই এই লক্ষ্য অর্জন করা হবে বলে জানিয়েছে সরকার। প্রাথমিক শিক্ষা শতভাগে উন্নীত করা, শিক্ষার্থী ঝরে পড়া বন্ধ করা, উপস্থিতির হার বৃদ্ধি করা ও পাঠে মনোনিবেশে এই উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রণালয়।

সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে “জাতীয় স্কুল ফিডিং নীতিমালা-২০১৭” এর খসড়াও তৈরি করা হয়েছে। নীতিমালা চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব গিয়াস উদ্দিন আহমেদ।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, মিড-ডে মিলের খাবারের তালিকায় আপাতত রান্না করা ও শুকনা প্রক্রিয়াজাত দুই ধরণের খাবার বিবেচনায় রাখা হয়েছে। ভাত, খিচুড়ি, ডিম, ডাল, সবজি ইত্যাদি রয়েছে রান্না করা খাবারের তালিকায়। শুকনা খাবারের তালিকায় রয়েছে পাউরুটি, শুকনো ফল। দুধসহ বিভিন্ন ধরনের প্রক্রিয়াজাত খাবারও রাখা হবে কখনো কখনো। এছাড়া শিক্ষার্থীকে পুষ্টিকর বিস্কুটও সরবরাহ করা হবে।

কিছু কিছু বিদ্যালয়ে ইতোমধ্যেই শিক্ষার্থীদের মাঝে বিস্কুটের পরিবর্তে পরীক্ষামূলকভাবে রান্না করা খাবার (মিড ডে মিল) পরিবেশন করা হচ্ছে। কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলায় ২নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গত বছর পরীক্ষামূলক ভাবে চালু করা হয়েছিল মিড-ডে মিল। বিদ্যালয়ের প্রধাণ শিক্ষক আরফিন আখতার ছিদ্দিকা ই-বার্তা কে মুঠোফোনে বলেন, “মিড-ডে মিল চালু করায় বিদ্যালয়ে উৎসব মুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে পড়াশুনায় মনোযোগ কমে যায়। তাই এটি একটি ভালো উদ্যোগ বলে আমি মনে করছি”। তবে শিক্ষার্থীদের মাঝে খাবার বিতরণের জন্য অতিরিক্ত লোক না থাকায় শিক্ষকদের নির্ধারিত সময়ে ক্লাস নিতে বেগ পেতে হয়েছিল। এর জন্য অতিরিক্ত লোক নিয়োগ দেয়ারও আহবান জানান তিনি।

সর্বশেষ সংবাদ

বিশেষ প্রতিবেদন এর আরও সংবাদ